বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

আলীকদমে জঙ্গী ও সন্ত্রাসবাদ বিরোধী গনসচেতনতা মূলক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত


রুকেন রাজ,বান্দরবানঃ

আলীকদমে জঙ্গী ও সন্ত্রাসবাদ বিরোধী গনসচেতনতার লক্ষ্যে ১৬ই ফেব্রুযারী রোজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১১:৩০ মিনিটে আলীকদম সদর ইউনিয়ন কতৃক আয়োজিত এক মত বিনিময় ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়ে।
আলীকদম উপজেলার সাবেক সাংগঠিক সম্পাদক বাবু সমরঞ্জন বড়ুয়ার সঞ্চালনায় ও আলীকদম উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানের সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা প্রশাসক বাবু দিলীপ কুমার বণিক মহোদয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলীকদম সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ জালাল উদ্দিন, আলীকদম উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান জনাবা শিরিন আক্তার ও আলীকদম উপজেলার ইনচার্জ জনাব মোঃ আপেল্লানাহা রাজু সহ আরো অনেকেই।
উক্ত আলোচনার সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাবু দীলিপ কুমার বণিক বলেন, দেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের কেন স্থান থাকবে না। যেখানেই জঙ্গীবাদের মত কর্মকান্ড হবে সেখানে তাদের প্রতিহত করা হবে। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন করছে,  বিভিন্ন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে, যা অন্য কোন সরকার করতে ও করে দেখাতে পারে নি। অতি দ্রুতই যেন জঙ্গীবাদ ও নাশকতামুলক কর্মকান্ড পরিত্যাগ করে ভালো মানুষ হওয়ার অনুরোধ জানান।

বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

লোহাগাড়ার কৃতি সন্তান কাজী শাহজাহান’র ৭ম একক কাব্য গ্রন্থ “যেন তেন বাঁচব কেন" বই মেলায় পাওয়া যাচ্ছে




আলাউদ্দিন ,নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ


 চট্টগ্রামমের লোহাগাড়ার কৃতি সন্তান  জনপ্রিয় লেখক কাজী মোহাম্মদ শাহজাহানেয় ৭ম কবিতা গ্রন্থ "যেন তেন বাচঁব কেন " ঢাকার   এবারের বই মেলায় প্রকাশিত হয়েছে ।

ঢাকার অন্যতম প্রকাশনী  শিল্পৈষী  থেকে বইটি প্রকাশিত হয়।
বইটিতে মোট ৭২টি কবিতা রয়েছে । মেলায় পাঠকরা বইটি কিনতে চাইলে প্রকৃতি , শিল্পৈষী ও পূর্বা প্রকাশনীর স্টালে পাবেন।তাছাড়াও চট্টগ্রামে বাতিঘরেও বইটি পাওয়া যাচ্ছে ।

উল্লেখ্য : কাজী মোহাম্মদ শাহজাহান  লোহাগাড়া উপজেলার কৃতি সন্তান। ১৯৭৭ সালে ২৪মে উপজেলার আধুনগর ইউনিয়নে কাজী বাড়িতে জন্মগ্রহন করেন।
পিতা কাজী মাহমুদুল হক ।

ছাত্র থাকা অবস্থায় কাজী মোহাম্মদ শাহাজহান লেখালেখি শরু করেন । তার লেখা বিভিন্ন ছড়া/কবিতা  দেশের সমসাময়িক সাহিত্য পত্রিকায়  নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে।

এই পযর্ন্ত তার লেখা ৭টি কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে । বই গুলো নাম হচ্ছে যুগে যুগে মুক্তিযাদ্ধা, ভ্যাবাচেকা,একাত্তরের পরে কেন,তোমাকে নিয়ে কবিতা,অন্তরালের গল্প, আকাশ আমার মুখোশ পরা এবং এবারের সর্বশেষ প্রকাশিত  যেন তেন বাঁচব কেন।

কাজী মোহাম্মদ শাহজাহান মূলত পেশায়  একজন   মধ্যপ্রাচ্যে জুয়েলারী ও দেশে হাউজিং এর ব্যবসায়ী
।ব্যবসার পাশপাশি নিয়মিত লেখে যাছেন তিনি ।

রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

লোহাগাড়ায় গ্রাম পুলিশের পর্দার আড়ালে ইয়াবা ব্যবসা!




নিজস্ব প্রতিনিধিঃ- লোহাগাড়া উপজেলার অন্তর্গত পদুয়া ইউনিয়ন এখন ইয়াবায় ভরপুর। এই ব্যবসা ও সেবনের সাথে জড়িয়ে পড়েছে পদুয়া ইউনিয়নের চৌকিদার সহ আরো অনেকে। এর মধ্যে জানা যায় পদুয়া ইউনিয়নের ০২নং ওয়ার্ডের চৌকিদার আমির হোছেন পদুয়া নয়া পাড়া নিবাসী দরগাহ মুড়া, মাষ্টার পাড়া, চৌধুরী পাড়া দায়িত্বরত এই চৌকিদার আমির হোছেন দীর্ঘ দিন যাবৎ পুলিশ প্রশাসনের চোখে ধুলূ দিয়ে চৌকিদারীর সাইন বোর্ড ব্যবহার করে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এলাকার লোকজন জানান এই চৌকিদার আমির হোছেন তার ইয়াবা ব্যবসার নিরাপদ স্থান হিসাবে ইউনিয়ন পরিষদকে ব্যবহার করে যাচ্ছে। তাকে গ্রেফতার করার জন্য লোহাগাড়া থানার স্বনাম ধন্য পুলিশ অফিসার ইনচার্জ শাহ্জাহান পিপিএম(বার) সহ সাহসিক এস.আই মাদক ব্যবসায়ীদের যমদূত সোলাইমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এলাকাবাসীরা বলেন, যেখানে চৌকিদাররাই মাদক, সন্ত্রাস সম্পর্কে পুলিশকে অবহিত করবে সে জায়গায় চৌকিদার আমির হোছেনরাই যখন মাদক ব্যবসা শুরু করেছে তখন সমাজের শিশু -কিশোর, যুবক-বৃদ্ধ ও নারীরাও এই মাদক সেবনের সাথে জড়িয়ে পড়ছে। বর্তমানে মাদক ব্যবসায়ীদের নিরাপদ স্থান হিসেবে পদুয়া ইউনিয়নকেই বেঁচে নিয়েছে।

শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

লোহাগাড়ায় অভিজাত ফাস্টফুড দোকানে খাবার জালিয়াতির অভিযোগঃ ভ্রাম্যমান পরিচালনার দাবি!


নিজস্ব প্রতিবেদকঃচট্টগ্রাম জেলার অন্যতম ব্যস্ততম উপশহর হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে লোহাগাড়া উপজেলা।যার কারণে নামীদামি ব্র‍্যান্ডের ফাস্টফুডের দোকান ব্যবসার জন্য গড়ে তুলছে  ব্যবসায়িরা। কিন্তু এইসব খাবার যদি বাসিপচা, মেয়াদত্তোর্ণ হয় তবে গ্রাহকের সাথে তারা জালিয়াতি করছে। এরকম ঘটনা  ঘটে Sizzle,অামিরাবাদ ফাস্টফুটের দোকানে খাবারের জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।


রাস্তার অলিগলিতে গড়ে ওঠা অনেক ফাস্টফুডের দোকানে খাবারের মান অপেক্ষা সবার মনে জানা থাকে ব্র্যান্ড নামিদামী দোকানের খাবারের মান অনেক ভালো। ঠিক অন্যান্য নামিদামী ফাস্টফুডের দোকানের মতো Sizzle ও তাদের একটি। ১০/২/১৭ তারিখে খাবার টেবিলে বসা এক ক্ষুধার্ত গ্রাহক যখন ইচ্ছা পোষণ করে
 "ভেজিটেবল পেটিস" খাবে যেখানে কোন চিকেন নেই,তখন দোকানদার ও তার স্টাফদের সম্মতিক্রমে সে চিকেন ছাড়া ভেজিটেবল পেটিস নেই। প্রায় খাবারের শেষ পর্যায়ে গিয়ে তার কামড়ে ধরা পড়ে দোকানদার ও ঐ Sizzle ব্র্যান্ড এর জালিয়াতি। শেষ পর্যায়ে অগত্যা খাবার ফেলেই চলে যেতে হয় কাস্টমারদের,কিন্তু বিল নেয়ার ক্ষেত্রে নেই কোন কার্পণ্যতা।
তাছাড়া অনেক সময় বাসিপচঁা খাবারও পরিবেশনের অভিযোগ রয়েছে অনেকের। যদি দেশের নামিদামী খাবারের ব্র্যান্ডের এ পর্যায় হয় তাহলে কোন্ খাবার পরিবেশনকারীদের গ্রাহকরা বিশ্বাস করবে,অার নিশ্চয়তার মাধ্যমে খেতে পারবে সেটাই প্রশ্ন এখন সবার। এব্যাপারে  লোহাগাড়ার ভূমি কমিশনার সাদিয়া আফরিন কচিকে অবিহিত করলে, তিনি বলেন, ভ্রাম্যমান অভিযান চলমান রয়েছে, অভিযোগের সত্যতার ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে

বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

লোহাগাড়ায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই ফলাফল বিলম্বঃ বিপাকে মুক্তিযোদ্ধারা!


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই ও কোড ক, খ, গ এর অর্থ।
লোহাগাড়া উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা  যাচাই-বাছাই ২৮ই জানুয়ারি,  ২০১৭,  অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু যাচাই-বাছাই নির্দেশিকা মতে তিন কার্য দিবসের মধ্যে তালিকা পাঠাতে বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রক্রিয়া শেষ হলেও  উপজেলায় কোন রেজাল্ট দেওয়া হয়নি। যার কারণে বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধারা আপিল করতে দ্বিধা দ্বন্দের মধ্যে রয়েছে।
দেশব্যাপি চলছে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া। ইতোমধ্যে অনেক উপজেলায় প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। কমিটি তিনটি ক্যাটাগরি বা ততোধিক বিভাগে মুক্তিযোদ্ধাদের বাচাই করে থাকে।" ক" তে অন্তর্ভূক্ত মুক্তিযোদ্ধারা হলেন, কমিটি কর্তৃক মঞ্জুরকৃত।উনাদের তালিকাভূক্ত হওয়ার কোন শংকা নেই। "খ" তালিকাভূক্ত মুক্তিযোদ্ধারা হলেন, দ্বিধাবিভক্ত অর্থাৎ ফিফটি পার্সেন্ট কমিটি কর্তৃক মনোনিত। কিন্তু উনারা তালিকাভূক্ত হতে পারবেন। "গ" ক্যাটাগরিতে তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধারা হলেন কমিটি কতৃক মঞ্জুরকৃত নয়। তালিকা থেকে বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধারা  তিন কার্য দিবসের মধ্যে প্রমাণাধি নিয়ে আপিল করতে পারবে।www.bdnews24.com

রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

লোহাগাড়ায় প্রথম মন্দির ভিত্তিক বিবাহ সম্পন্ন



বি.কে বিচিত্র, নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশে  প্রথম সনাতনী সমাজের জন্য ‘মন্দির ভিত্তিক বিবাহ প্রকল্প’ এর কার্যক্রম শুরু হয় কয়েক বছর আগে নগরীর গোসাইলডাঙ্গা সর্বজনীন শ্রী


শ্রী দুর্গা মন্দির কমপ্লেক্সে আয়োজিত প্রকল্পের উদ্যোগে শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ-বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ধর্মানুরাগী অ্যাড. তপন কান্তি দাশের প্রথম পুত্রের বিবাহের মধ্যদিয়ে কার্যক্রমের শুভ সূচনা হয়। এর  ধারাবাহিকতায়  ৫ জানুয়ারি, গত রবিবার  নিজ বাস ভবনে সনাতন ধর্মের মন্দির ভিত্তিক বিবাহ প্রথম বারের মতো লোহাগাড়া উপজেলার বাগীশিকের সাংগঠনিক  সম্পাদক  খোকন সুশিলের শুভ বিবাহ সম্পন্ন হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন, মন্দির ভিত্তিক হিন্দু বিবাহের স্বপ্নদ্রষ্টা এড.তপন কান্তি দাশ।,এতে সকল সনাতনী সমাজের বিশিষ্টজনদের উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে অনুরোধ জানিয়েছেন বিবাহ প্রকল্পের উদ্যোক্তাবৃন্দ।