শুক্রবার, ২৪ মে, ২০২৪

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের কার্যালয়, চট্টগ্রাম। নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় অনিয়ম!

 অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের কার্যালয়, চট্টগ্রাম।

নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় অনিয়ম!


অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের কার্যালয়, চট্টগ্রাম,   বিভাগীয় বিশেষ জজ, আদালত, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগে সরকারি বিধি অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধা কোটা অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।



বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত,চট্টগ্রাম,  থেকে জানা গেছে, গত ১৬ মার্চ,  ২০২৪ইং, ওই কার্যালয়ে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির শূন্যপদে জনবল নিয়োগের "অফিস সহায়ক " পদে  লিখিত পরীক্ষা হয়। এতে উত্তীর্ণ হয় ৩টি পদের বিপরীতে ১৯ জন।একই দিন, দুপুর ২.০০টা থেকে বিভাগীয় বিশেষ জজ, আদালতের সভাকক্ষে উপস্থিত, ১৭ জনের  

  মৌখিক  পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।পরের দিন, রবিবার চূড়ান্ত রেজাল্ট না দিয়ে মোবাইলের মাধ্যমে "নির্ধারিত প্রার্থীদের"  চূড়ান্ত নিয়োগ দেওয়ার  অভিযোগ রয়েছে।এসব পদ হলো "অফিস সহায়ক, রেকর্ড সহকারী।


এই নিয়োগে সরকারি বিধি অনুযায়ী " অফিস সহায়ক পদ-৩ জনের বিপরীতে ৩০% মুক্তিযোদ্ধা কোটার ক্ষেত্রে ১ জনের মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি হওয়ার কথা। কিন্তু এই ৩ জনের মধ্যে ১ জনকেও  মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ  না দিয়ে সবার নিয়োগ-প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।



জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে  নিয়োগ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। নিয়োগ বঞ্চিত প্রার্থী, এই বিষয়ে বিভাগীয় বিশেষ জজ, আদালতের  কাছে এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে ও সরকারি বিধি অনুযায়ী তা পূরণের দাবি জানিয়ে ৭ই মে, ২০২৪ইং একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগে জানা যায়, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় এই প্রার্থীকে নিয়োগ না দিয়ে সাধারণ কোটা থেকে তা পূরণ করা হয়েছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী কোনো পদের বিপরীতে আবেদন না পাওয়া গেলে পুনরায় বিজ্ঞপ্তি আহ্বান করতে হবে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি। এ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অতি দ্রুত মুক্তিযোদ্ধার কোটা পূরণের দাবি জানানো হয়েছে।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে,  বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের  কাছে একটি পত্র পাঠান। সেই পত্র থেকে জানা যায়, গত ১৬ মার্চ,২০২৪ইং, লিখিত পরীক্ষা অনুযায়ী ১৭ মার্চ, ২০২৪ইং, কোন রুপ ছাপানো, বা ওয়েবসাইট,, নোটিশে চূড়ান্ত রেজাল্ট না দিয়ে, মোবাইলের মাধ্যমে চূড়ান্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।যা সরকারি নিয়োগ বিরুদ্ধ । এই চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, সরকারি বিধি মোতাবেক মুক্তিযোদ্ধা কোটা অনুসরণ করা হয়নি। মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষোভ নিরসনে অতি দ্রুত মুক্তিযোদ্ধা কোটা পূরণের ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও চিঠিতে উল্লেখ হয়েছে।

নিয়োগ বঞ্চিত প্রার্থী, বিচিত্র জলদাশ (রোল নং

২ ৮৭)বলেন, ‘সরকারি বিধি মানা হয়নি। অবিলম্বে পুনরায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পূরণের দাবি করছি। এই দাবি পূরণে গড়িমসি করা হলে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে  কার্যালয় ঘেরাও করে দাবি আদায় করা হবে।’বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত,চট্টগ্রাম, এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা,,মুহাম্মদ আজম খান, তথ্য কমিশনের, তথ্য প্রাপ্তির ফরমের উত্তরে,, কোটা অনুসরণ করা হয়েছে মর্মে লিখিত পত্র দেয়" কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা কোটা অনুসরণের কোন কথা উল্লেখ নেই।এতে প্রমাণিত হয়, মুক্তিযোদ্ধা কোটা যথাযথ অনুসরণ না করে চূড়ান্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে,যা সরকারি নিয়োগে নিয়ম বিরুদ্ধ।

 মুক্তিযোদ্ধা কোটা পূরণ না হওয়ার সত্যতা স্বীকার করে প্রশাসনিক কর্মকর্তা  বলেন, ‘এই নিয়োগের ব্যাপারে আমার কোনো করণীয় নেই। নিয়োগ কমিটির আহ্বায়ক,  মিজানুর রহমান  ভূইয়া, তার উত্তর দিতে পারবেন। কিন্তু ডাক যোগে  প্রার্থী"নিয়োগের ব্যাপারে  আবেদন করেও কোন সাড়া দেয়নি নিয়োগ কমিটি। চিঠি মারফত জানানো হলেও ।এখনো এর কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।’

শুক্রবার, ১০ মার্চ, ২০১৭

লোহাগাড়ায় প্রয়াত রাজনীতিবিদ সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের স্মরনসভা অনুষ্ঠিত


বি.কে বিচিত্র, স্টাফ রিপোর্টারঃবাংলাদেশ   দেশ জাতীয় হিন্দু মহা‌জোট‌ লোহাগাড়া উপ‌জেলা শাখার উদ্যোগে প্রয়াত আওয়ামীলী‌গের  ব‌র্ষিয়ান নেতা, বি‌শিষ্ঠ পার্লা‌মে‌ন্টে‌রিয়ান ও সং‌বিধান প্র‌ণেতা স্বগীয় সুরন্জিত সেন গু‌প্তের স্মরন সভা উপ‌জেলা পাব‌লিক অডিট‌রিয়ামে ৯ই মার্চ অনুষ্ঠিত হয়। মহা‌জোট লোহাগাড়া শাখার  সভাপ‌তি,বাবু হ‌রি শংকর গুপ্তের  সভাপ‌তি‌ত্বে ও সুমন মজুমদার হিরুর সঞ্চালনয় অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়।
প্রধান অতি‌থি হিসেবে উপস্থিত  ছি‌লেন, ‌লোহাগাড়া উপ‌জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক,  সালাহ উদ্দিন হিরু, প্রধান বক্তা ছি‌লেন মহা‌জো‌টের জেলা সভাপ‌তি, এড, যীষু র‌ক্ষিত, বি‌শেষ বক্তা ডাঃ নির্মল নাথ
‌বি‌শেষ অতি‌থি ‌প্রেস ক্লাব সভাপ‌তি নুরুল ইসলাম ,সুলাল ধর ,মাস্টার অসীম দাশ ,পলাশ দাশ,‌খোকন দাস,ডাঃ রা‌জিব কা‌ন্তি রুদ্র,রাজু ধর রাজ, ডাঃ উজ্জল দাস গুপ্ত, ডাঃ রুপন দাশ, বিকাশ জলদাশ,‌খোকন সুশীল,‌প্রেমানন্দ দাশ। অনুষ্ঠানে অতিথিরা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ব্যক্তি জীবন, ছাত্র জীবন, রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০১৭

উত্তর আমিরাবাদ পাল পাড়ায় মহানামযজ্ঞ



বি.কে বিচিত্র, লোহাগাড়াঃলোহাগাড়া উপজেলার উত্তর আমিরাবাদ পাল পাড়ায় অষ্টপ্রহর ব্যাপি সার্বজনীন  মহানামযজ্ঞ সম্পন্ন হয়। প্রতি বছরের ন্যায় এই বছরেও  বর্ণাঢ্য আয়োজনে চলছে মহানামযজ্ঞ। সূত্রে জানা গেছে,  এবারের প্রধান আকর্ষণ বিভিন্ন দেব-দেবীর প্রতিমা প্রদর্শনী ও কীর্তনের ফাঁকে কৃষ্ণ লীলা পরিবেশন। দুপুর ১টায় ও রাত ১০টায় মহাপ্রসাদের ব্যবস্থা রয়েছে।

 ২ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় মহতী ধর্ম সম্মেলন মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শুভ উদ্বোধন করেন, শ্রী নিবাস দাশ সাগর, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, লোহাগাড়া উপজেলা। ধর্ম




সম্মেলনে বিশিষ্ট  ধর্মীয় বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,শ্রীমৎ স্বামী তপসানন্দ  গিরি মহারাজ। প্রধান অতিথি  হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,শ্রীযুক্ত সুকুমার বৈদ্য।বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, প্রদীপ দাশ,শ্রী অসীম দাশ, হরিশংকর দাশগুপ্ত, সুলাল ধর, প্রধান বক্তা উপস্থিত ছিলেন,সুভাস নাথ।
মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সংগীত পরিবেশনা করেন, বেতার শিল্পী জুয়েল পাল ও সহ শিল্পীবৃন্দ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন,  লিটন দাশ পলু ও বিনীতা পাল তুলি।
সভাপতিত্ব করেন শ্রী প্রসেনজিত পাল।

বুধবার, ১ মার্চ, ২০১৭

উত্তর আমিরাবাদ জলদাশ পাড়ায় জ্বালাকুমারি মায়ের বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে ধর্মসভা ও গীতাপাঠ অনুষ্ঠিত।

উত্তর আমিরাবাদ  জলদাশ পাড়ায় জ্বালাকুমারি মায়ের বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে  ধর্মসভা ও গীতাপাঠ অনুষ্ঠিত।

বি.কে বিচিত্র, লোহাগাড়াঃলোহাগাড়া উপজেলার উত্তর আমিরাবাদ জলদাশ পাড়ায়   জ্বালাকুমারি মায়ের  বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে  মহতী ধর্মসভা ও গীতাপাঠ  অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন,  চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ সদস্য আলহাজ্ব আনোয়ার কামাল, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শ্রী নিবাস দাশ সাগর, বিশিষ্ট ধর্মীয় বক্তা, অধ্যাপক স্বপন চৌধুরী, বিগ্রহ দাতা ডাঃ প্রবীর পাল,ও তরুণ ধর, প্রথম-আলো'র লোহাগাড়া প্রতিনিধি সাংবাদিক পুষ্পেন চৌধুরী, শিক্ষক অসীম দাশ, সংগীত শিক্ষক পার্থ সারতী দাশগুপ্ত,    সুভাষ নাথ, সুমন মজুমদার,  পলাশ চক্রবর্তী,সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, কৃষ্ট মোহন জলদাশ,দীলিপ, প্রকাশ জলদাশ, সুনীল,  আশীষ, জয়দেব,অরুণ,সাবু, আকাশ,সুজিত জলদাশ, ছোটন জলদাশ, খোকন জলদাশ, তপন ধর, বটন জলদাশ,অর্পণ জলদাশ, সুজন, মনি, মিশু, পিপলু,রিপন।  ধর্মীয়  সংগীত পরিবেশনা করেন পুজা,কেয়া,শ্রাবনী, ও তার দল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আনোয়ার কামাল বলেন,  একটি পাড়ার ছেলে-মেয়েরা যদি শিক্ষিত হয়,  তবে সমাজ ও রাষ্ট্র  উন্নত হয়। শিক্ষায় পারে অবহেলিত সম্প্রদায়কে  উন্নতি ঘটাতে।


শিক্ষার বিকল্প আর কিছু হতে পারে না। তিনি আরো প্রতিশ্রুতি দেন, এই পাড়ার দাবিসমূহ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে জেলা পরিষদের প্রকল্পে দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শ্রীনিবাস দাশ সাগর বলেন, উপজেলায় পর্যায়ের সুযোগ-সুবিধা বাস্তবায়ন ও দ্রুত মন্দিরের সংস্কারে জন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন বিকাশ জলদাশ ও অসীম জলদাশ। সভাপতিত্ব করেন  স্বপন জলদাশ

বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

আলীকদমে জঙ্গী ও সন্ত্রাসবাদ বিরোধী গনসচেতনতা মূলক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত


রুকেন রাজ,বান্দরবানঃ

আলীকদমে জঙ্গী ও সন্ত্রাসবাদ বিরোধী গনসচেতনতার লক্ষ্যে ১৬ই ফেব্রুযারী রোজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১১:৩০ মিনিটে আলীকদম সদর ইউনিয়ন কতৃক আয়োজিত এক মত বিনিময় ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়ে।
আলীকদম উপজেলার সাবেক সাংগঠিক সম্পাদক বাবু সমরঞ্জন বড়ুয়ার সঞ্চালনায় ও আলীকদম উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানের সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা প্রশাসক বাবু দিলীপ কুমার বণিক মহোদয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলীকদম সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ জালাল উদ্দিন, আলীকদম উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান জনাবা শিরিন আক্তার ও আলীকদম উপজেলার ইনচার্জ জনাব মোঃ আপেল্লানাহা রাজু সহ আরো অনেকেই।
উক্ত আলোচনার সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাবু দীলিপ কুমার বণিক বলেন, দেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের কেন স্থান থাকবে না। যেখানেই জঙ্গীবাদের মত কর্মকান্ড হবে সেখানে তাদের প্রতিহত করা হবে। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন করছে,  বিভিন্ন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে, যা অন্য কোন সরকার করতে ও করে দেখাতে পারে নি। অতি দ্রুতই যেন জঙ্গীবাদ ও নাশকতামুলক কর্মকান্ড পরিত্যাগ করে ভালো মানুষ হওয়ার অনুরোধ জানান।

বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

লোহাগাড়ার কৃতি সন্তান কাজী শাহজাহান’র ৭ম একক কাব্য গ্রন্থ “যেন তেন বাঁচব কেন" বই মেলায় পাওয়া যাচ্ছে




আলাউদ্দিন ,নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ


 চট্টগ্রামমের লোহাগাড়ার কৃতি সন্তান  জনপ্রিয় লেখক কাজী মোহাম্মদ শাহজাহানেয় ৭ম কবিতা গ্রন্থ "যেন তেন বাচঁব কেন " ঢাকার   এবারের বই মেলায় প্রকাশিত হয়েছে ।

ঢাকার অন্যতম প্রকাশনী  শিল্পৈষী  থেকে বইটি প্রকাশিত হয়।
বইটিতে মোট ৭২টি কবিতা রয়েছে । মেলায় পাঠকরা বইটি কিনতে চাইলে প্রকৃতি , শিল্পৈষী ও পূর্বা প্রকাশনীর স্টালে পাবেন।তাছাড়াও চট্টগ্রামে বাতিঘরেও বইটি পাওয়া যাচ্ছে ।

উল্লেখ্য : কাজী মোহাম্মদ শাহজাহান  লোহাগাড়া উপজেলার কৃতি সন্তান। ১৯৭৭ সালে ২৪মে উপজেলার আধুনগর ইউনিয়নে কাজী বাড়িতে জন্মগ্রহন করেন।
পিতা কাজী মাহমুদুল হক ।

ছাত্র থাকা অবস্থায় কাজী মোহাম্মদ শাহাজহান লেখালেখি শরু করেন । তার লেখা বিভিন্ন ছড়া/কবিতা  দেশের সমসাময়িক সাহিত্য পত্রিকায়  নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে।

এই পযর্ন্ত তার লেখা ৭টি কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে । বই গুলো নাম হচ্ছে যুগে যুগে মুক্তিযাদ্ধা, ভ্যাবাচেকা,একাত্তরের পরে কেন,তোমাকে নিয়ে কবিতা,অন্তরালের গল্প, আকাশ আমার মুখোশ পরা এবং এবারের সর্বশেষ প্রকাশিত  যেন তেন বাঁচব কেন।

কাজী মোহাম্মদ শাহজাহান মূলত পেশায়  একজন   মধ্যপ্রাচ্যে জুয়েলারী ও দেশে হাউজিং এর ব্যবসায়ী
।ব্যবসার পাশপাশি নিয়মিত লেখে যাছেন তিনি ।

রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

লোহাগাড়ায় গ্রাম পুলিশের পর্দার আড়ালে ইয়াবা ব্যবসা!




নিজস্ব প্রতিনিধিঃ- লোহাগাড়া উপজেলার অন্তর্গত পদুয়া ইউনিয়ন এখন ইয়াবায় ভরপুর। এই ব্যবসা ও সেবনের সাথে জড়িয়ে পড়েছে পদুয়া ইউনিয়নের চৌকিদার সহ আরো অনেকে। এর মধ্যে জানা যায় পদুয়া ইউনিয়নের ০২নং ওয়ার্ডের চৌকিদার আমির হোছেন পদুয়া নয়া পাড়া নিবাসী দরগাহ মুড়া, মাষ্টার পাড়া, চৌধুরী পাড়া দায়িত্বরত এই চৌকিদার আমির হোছেন দীর্ঘ দিন যাবৎ পুলিশ প্রশাসনের চোখে ধুলূ দিয়ে চৌকিদারীর সাইন বোর্ড ব্যবহার করে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এলাকার লোকজন জানান এই চৌকিদার আমির হোছেন তার ইয়াবা ব্যবসার নিরাপদ স্থান হিসাবে ইউনিয়ন পরিষদকে ব্যবহার করে যাচ্ছে। তাকে গ্রেফতার করার জন্য লোহাগাড়া থানার স্বনাম ধন্য পুলিশ অফিসার ইনচার্জ শাহ্জাহান পিপিএম(বার) সহ সাহসিক এস.আই মাদক ব্যবসায়ীদের যমদূত সোলাইমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এলাকাবাসীরা বলেন, যেখানে চৌকিদাররাই মাদক, সন্ত্রাস সম্পর্কে পুলিশকে অবহিত করবে সে জায়গায় চৌকিদার আমির হোছেনরাই যখন মাদক ব্যবসা শুরু করেছে তখন সমাজের শিশু -কিশোর, যুবক-বৃদ্ধ ও নারীরাও এই মাদক সেবনের সাথে জড়িয়ে পড়ছে। বর্তমানে মাদক ব্যবসায়ীদের নিরাপদ স্থান হিসেবে পদুয়া ইউনিয়নকেই বেঁচে নিয়েছে।