শনিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০১৭

শোভাযাত্রা ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে লোহাগাড়ায় শিক্ষা সপ্তাহ পালিত



শিক্ষা সংবাদ: আজ রবিবার থেকে সারা দেশে প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ- ২০১৭ শুরু। ‘শিক্ষার আলো জ্বালবো, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বো’ এই প্রতিপাদ্য কে কেন্দ্র করে সারা দেশে প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ পালিত হচ্ছে। ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের সচেতনতার জন্য সারা দেশে শোভাযাত্রা, আলোচনাসহ বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে লোহাগাড়া উপজেলায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ পালিত। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে জানা যায়, কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে শোভাযাত্রা ও স্টল প্রদর্শনী, বিভিন্ন প্রতিযোগীতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। লোহাগাড়া উপজেলার মাঠ সত্বরে সকাল ১০টায় বিভিন্ন স্কুল থেকে আগত ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতা,নৃত্য প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষা সপ্তাহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক দিক, অগ্রগতি, ভবিষ্যত্ উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও প্রাথমিক শিক্ষার সমস্যাগুলো তুলে ধরা, প্রাথমিক শিক্ষাকে আরো অগ্রসর করা, ঝরে পড়ার হার কমানোসহ সকল অগ্রগতি তুলে ধরতেই জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ পালন করা হয়ে থাকে।

শোভাযাত্রা ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে লোহাগাড়ায় শিক্ষা সপ্তাহ পালিত

শিক্ষা সংবাদ: আজ রবিবার থেকে সারা দেশে প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ- ২০১৭ শুরু। ‘শিক্ষার আলো জ্বালবো, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বো’ এই প্রতিপাদ্য কে কেন্দ্র করে সারা দেশে প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ পালিত হচ্ছে। ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের সচেতনতার জন্য সারা দেশে শোভাযাত্রা, আলোচনাসহ বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে লোহাগাড়া উপজেলায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ পালিত। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে জানা যায়, কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে শোভাযাত্রা ও স্টল প্রদর্শনী, বিভিন্ন প্রতিযোগীতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। লোহাগাড়া উপজেলার মাঠ সত্বরে সকাল ১০টায় বিভিন্ন স্কুল থেকে আগত ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতা,নৃত্য প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষা সপ্তাহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক দিক, অগ্রগতি, ভবিষ্যত্ উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও প্রাথমিক শিক্ষার সমস্যাগুলো তুলে ধরা, প্রাথমিক শিক্ষাকে আরো অগ্রসর করা, ঝরে পড়ার হার কমানোসহ সকল অগ্রগতি তুলে ধরতেই জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ পালন করা হয়ে থাকে।

লামায় শিক্ষা সপ্তাহ কই গেলো রে- এর দেখা মিললো না বা কেন! আজ রবিবার থেকে সারা দেশে প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ- ২০১৭ শুরু। ‘শিক্ষার আলো জ্বালবো, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বো’ এই প্রতিপাদ্য কে কেন্দ্র করে সারা দেশে প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ পালিত হচ্ছে। ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের সচেতনতার জন্য সারা দেশে শোভাযাত্রা, আলোচনাসহ বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। কিন্তু বান্দরবান লামায় এর কোন চিত্রের দেখা মিলেনি। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে জানা যায়, ৩০ অথবা ৩১ জানুয়ারি শিক্ষা সপ্তাহ পালন করা হবে। পৌরসভার কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে শোভাযাত্রা ও স্টল প্রদর্শনী জন্য চিঠি ইসু করা হয়েছে। শিক্ষা সপ্তাহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক দিক, অগ্রগতি, ভবিষ্যত্ উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও প্রাথমিক শিক্ষার সমস্যাগুলো তুলে ধরা, প্রাথমিক শিক্ষাকে আরো অগ্রসর করা, ঝরে পড়ার হার কমানোসহ সকল অগ্রগতি তুলে ধরতেই জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ পালন করা হয়ে থাকে।

বুধবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০১৭

লোহাগাড়ায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই ২৮ জানুয়ারি


নিজস্ব প্রতিবেদক:লোহাগাড়ায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া হবে ২৮ জানুয়ারি। ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসন হতে ফর্ম বিতরণ শুরু হয়েছে। অনলাইনে আবেদনের প্রেক্ষিতে ৫৮ জনের নাম এসেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। নির্ধারিত তারিখে সকালে সবাইকে তাদের স্ব স্ব কাগজপত্র নিয়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।


প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি আবেদন করা ও তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের নিরীক্ষণ এবং তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য জেলা, মহানগর ও উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটি করেছে সরকার।

গত ১৫ জানুয়ারি
বিকেলে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণাললের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সুফি আব্দুল্লাহিল মারুফ এ তথ্য জানান।

আব্দুল্লাহিল মারুফ বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গত ১২ জানুয়ারি জেলা, মহানগর ও উপজেলা কমিটি গঠনের আদেশ জারি করে। এতে মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাইয়ে আগের গঠন করা কমিটি কমিটি বাতিল করা হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মাহবুবুর রহমান ফারুকী স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, জেলা/মহানগর কমিটিতে বর্তমান সংসদ সদস্য অথবা তার মনোনীত মুক্তিযোদ্ধা কমিটির সভাপতি হবেন। সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা হলে তিনি সদস্য হবেন। আর মুক্তিযোদ্ধা না হলে তার না হলে তার মনোনীত একজন মুক্তিযোদ্ধা সভাপতি হবেন। তবে ওই সংসদ সদস্যর কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন।

এছাড়া এই কমিটিতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল, জেলা/মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বা তার মনোনীত জেলা/মহানগর এলাকার একজন মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধিকে সদস্য থাকবেন। কমিটির সদস্য সচিব থাকবেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)।

একইভাবে উপজেলা কমিটিতে সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা হলে তিনি নিজে এই কমিটির সভাপতি হবেন। সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা না হলে তার মনোনীত একজন মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি কমিটির সভাপতি হবেন। তবে সংসদ সদস্য কমিটির সদস্য থাকবেন।

স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং তার মনোনীত প্রতিনিধির বাইরে উপজেলা পর্যায়ের কমিটিতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বা তার মনোনীত একজন মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধিকে সদস্য থাকবেন। এই কমিটিতে সদস্য সচিব থাকবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।

কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, যাচাই-বাছাইয়ের আওতাধীন কোনও মুক্তিযোদ্ধা/প্রতিনিধি কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন না এই। আর যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য ছাড়া অন্যকেউ হলে তা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় মনোনীত হতে হবে।

এই কমিটি ইতোপূর্বে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল কর্তৃক প্রেরিত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তথ্যাবলী মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই নির্দেশিকা ২০১৬ অনুরসণ করে যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করবে। কোনও কারণে কোনও কমিটির সভাপতি অনুপস্থিত থাকলে সমঝোতার মাধ্যমে কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকে একজন সদস্য সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটির সদস্য সংখ্যার অধিকাংশের উপস্থিতিতে কমিটির কোরাম সম্পন্ন হয়েছে বিবেচনা করে কমিটি কার্যসম্পাদন করতে পারবে। কোনও কারণ দর্শানো ছাড়াই কর্তৃপক্ষ যে কোনও কমিটির আংশিক বাতিল বা সংশোধন করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।

কমিটির কার্যপরিধিতে আরও বলা হয়, যাচাই-বাছাই কমিটিকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল ঘোষিত তারিখ ও স্থানে (সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা/জেলা প্রশাসকের কার্যালয়) যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করতে হবে।

কমিটিগুলো ‘মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই নির্দেশিকা-২০১৬’ অনুযায়ী যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে সঙ্গে সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে প্রতিবেদন পাঠাবে এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলা নোটিশ বোর্ডে একটি কপি টাঙিয়ে দেবে।


সোমবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০১৭

লোহাগাড়ায় উত্তর আমিরাবাদ এম.বি উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায় সংবর্ধণা অনুষ্ঠিত

স্কুল মেইল২৪:
চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলাধীন ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উত্তর আমিরাবাদ এম.বি উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৩শে জানুয়ারি সকাল ১০টায় স্কুল মাঠে ২০১৭ সালের এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধণা ও দোয়া সম্পন্ন হয়। শোভন দাশ গুপ্তের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়।এতে প্রধান অতিথি  উপস্থিত ছিলেন স্কুল কমিটির সভাপতি শাওন, অত্র বিদ্যালয়ের  শিক্ষকবৃন্দ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উত্তর আমিরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফেরদৌস আলম,  স্কুল কমিটির সদস্য,  এলাকার গণ্য মান্য ব্যক্তিবর্গ ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ।সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব আজিজুল হক।
বক্তারা  বলেন, ১০ বছর শিক্ষাজীবন অতিবাহিত করার পর আজ তোমরা একটি স্তর পার হওয়ার প্রথম ধাপে দাঁড়িয়ে।  এটা শিক্ষার প্রথম ধাপ হলেও তোমাদের অনেক কিছু জানার ও শেখার আছে। ধৈর্য ও স্থির মনে  পরীক্ষায় উত্তর দিবে। অনুষ্ঠান শেষে ছাত্র-ছাত্রীদের সাফল্য কামনায় মিলাদ পড়ানো হয় এবং পরে খাবার বিতরণ করা হয়।

রবিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০১৭

লোহাগাড়ায় ৪৬০ পিস ইয়াবা ২০ লিটার চোলাইমদসহ গ্রেফতার ৪



  অপরাধ২৪ মেইল:
লোহাগাড়ায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ২০ লিটার চোলাইমদ সহ, মমতাজ বেগম,জোবায়ের (স্বামী-স্ত্রী), এবং আকরাম ও ইব্রাহিম খলিল কে গ্রেফতার করা ক করা হয়,অভিযান পরিচালনা করেন। এস আই মুহাম্মদ সোলাইমান পাটওয়ারী সাগর।
বিস্তারিত আসছে......

শনিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১৭

লোহাগাড়ার অর্থনীতি


Posted by B.K
জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস  ঃ

 জীবিকা ২৪ডেক্স:কৃষি ৩৯.২৯%, অকৃষি শ্রমিক ৫.৪০%, শিল্প ০.৮২%, ব্যবসা ১৭.৭১%, পরিবহণ ও যোগাযোগ ৩.৪৩%, চাকরি ১৪.৫৮%, নির্মাণ ১.৫৯%, ধর্মীয় সেবা ০.৪৯%, রেন্ট অ্যান্ড রেমিটেন্স ৫.১৯% এবং অন্যান্য ১১.৫০%।


কৃষিভূমির মালিকানা ঃ ভূমিমালিক ৬৩.৮৮%, ভূমিহীন ৩৬.১২%। শহরে ৬৪.১৩% এবং গ্রামে ৬১.৭৪% পরিবারের কৃষিজমি রয়েছে।

প্রধান কৃষি ফসল  ঃধান, আলু, আখ, মরিচ, ফেলং।

বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় ফসলাদি  ঃতিল, তিসি, তরমুজ।

প্রধান ফল-ফলাদি  ঃকলা, পেঁপে, পেয়ারা, আমড়া, বরই।

মৎস্য, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির খামার ঃ মৎস্য ২৩২২ (পুকুর), হ্যাচারি (মৎস্য) ২২, গবাদিপশু ৫, হাঁস-মুরগি ১৩৯।

শিল্প ও কলকারখানা  ঃচালকল, বরফকল, বিস্কুট ফ্যাক্টরি, টেক্সটাইল মিল, প্লাইউড কারখানা।

কুটিরশিল্প  ঃস্বর্ণশিল্প, লৌহশিল্প, মৃৎশিল্প, পাটি তৈরি, জাল বুনন, বাঁশের কাজ, কাঁঠের কাজ।

হাটবাজার ও মেলা  ঃ

হাটবাজার ২৪, মেলা ৩। দরবেশ হাট, তেওয়ারি হাট, খা’র হাট, হিন্দুর হাট, সেনের হাট ও মনুফকির হাট উল্লেখযোগ্য।

প্রধান রপ্তানিদ্রব্য  ঃচাল, জাল, তৈরি পোশাক।


লোহাগাড়া উপজেলার পটভূমি




 নিউজ ডেক্স:
লোহাগাড়া উপজেলাটি নয়টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। দক্ষিনে চকরিয়া আর উত্তরে সাতকানিয়া,পশ্চিমে বাঁশখালী ,পূর্বে বান্দরবানের পর্বতরাজি লোহাগাড়াকে ভিত্তি দান করেছে। লোহাগাড়া বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। এটি চট্টগ্রাম জেলা শহর থেকে আনুমানিক ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। ১৯৮৩ সালে সাতকানিয়া থানাকে দুই ভাগ করে লোহাগাড়া থানা সৃষ্টি করা হয। লোহাগাড়া নামকরনের পিছনে জনশ্রূতি আছে যে, এখানে লোহাগাড়া দীঘির পাড়ে শায়েস্তা খা তৎপূর্বে কিছু সংখ্যক সৈন্য রাত্রি যাপনের জন্য অবস্থান নেয়। তাদের নিরাপত্তার জন্য তারা তাদের অদূরে চারদিকে কামান দ্বারা পরিবেষ্টিত করে রাখে। লোহার কামানের এ অবস্থান পরবর্তীতে লোকজন লোহাগাড়া হিসেবে আখ্যায়িত করে আসে। এভাবেই সম্ভবত এ উপজেলার নামকরন লোহাগাড়া হয়। একাধিক পীর আউলিয়ার পূর্ন্য স্মৃতি বিজড়িত ২৫৯.১৯ বর্গ কি: মি: আয়তনের লোহাগাড়ায় প্রায় ২.৫০ লক্ষ লোকের বসবাস। জনগনের জীবনযাত্রা কৃষি ও ব্যবসা বানিজ্য নির্ভর। একই সাথে এ উপজেলার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জনগোষ্ঠী মধ্যপ্রাচ্যসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ব্যবসা বানিজ্য ও বিভিন্ন কর্মে নিয়োজিত আছেন।

পদুয়া ঐতিহ্যবাহী মাঠের করুন দশা!




  ইউনিয়ন নিউজ:
লোহাগাড়া উপজেলার  অন্যতম সমৃদ্ধ ইউনিয়ন হল পদুয়া। এখানে জন্মগ্রহণ করেছিলেন পীর  পেঠান শাহ  (রা:)।  বিভিন্ন কারণে পদুয়া দক্ষিণ চট্টগ্রামের   মানুষের আগ্রহের বিন্দুতে থাকে।

 কথিত আছে, এখানে কোন এক সময় পরীরা সর্দার দিঘী, ঠাকুর দিঘী একরাতে খনন করে।

 পদুয়ার প্রধান আর্কষণ হল প্রাচীন জমিদার বাড়ি। ঐ জমিদাররা তাদের কাজ সম্পাদন করার জন্য হোক বা অন্য কোন  কারনে হোক  মাঠ তৈরি করে।
 কালের বিবর্তণে  সেই জমিদারও নেই, তাদের জমিদারিও।  কিন্তু কালের সাক্ষী হয়ে রয়ে গেছে ঐতিহ্যবাহী পদুয়ার মাঠ।

এক সময় লোহাগাড়ার একমাত্র খেলার মাঠ ছিল পদুয়ার মাঠ। যার নামের ঐতিহ্য এখনো  অম্লান।
 ফুটবল প্রতিযোগীতা হত, মেলা বসতো, চরক পুজা হত।

 কিন্তু আজকাল তা আর দেখা যায় না। মাঝে মধ্যে স্কুল ভিত্তিক প্রতিযোগীতা হয়।

  পদুয়ার মাঠ তার নিজস্ব অধিকার, সুনাম, ঐতিহ্য হারিয়েছে তার কোন সন্দেহ নেই।
অনন্ত যৌবনের অধিকারি সেই মাঠ  এখন জরাজীর্ণ  এক নির্জীব জনপদ।

 দখলদারদের দখলে তার অস্তিত্ব।  সংকটের মধ্যে রয়েছে প্রতিনিয়ত। প্রভাবশালীদের দখলে রয়েছে  মাঠের অধিকার। সচেতন নাগরিক সমাজের দাবি যাতে মাঠ মাঠের মতো থাকে, কোনক্রমে যাতে ব্যবসায়ীক কেন্দ্র না হয়ে উঠে।

সরেজমিন  পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, মাঠের চারপাশে গাছের কাঠ, গাড়ির স্টেশন। যাতায়াতের পথ রোধ।